এখন আপনার ইন্টারনেট এক্সপিরিয়েন্স খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। ইনফ্যাক্ট আপনি নেট স্লো থাকার কারণটাই আসলে ধরতে পারছেন না। ভাবছেন সমস্যাটা কি রাউটার থেকে আসছে

কখন বুঝবেন আপনার রাউটার বদলানোর সময় হয়েছে? When it’s time to upgrade Your Router?

কখন বুঝবেন আপনার রাউটার বদলানোর সময় হয়েছে

When it’s time to upgrade Your Router

আসসালামুআলাইকুম। এখন থেকে হয়তো অনেনেনেনেকদিন আগে আপনার ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অথবা আপনি নিজেই একটা ওয়াইফাই রাউটার আপনার বাসায় সেটআপ করেছিলেন

খুব স্বাভাবিক এবং সঙ্গত কারণেই সবার অনেক ভালোবাসার একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস এটি।

কিন্তু এখন আপনার ইন্টারনেট এক্সপিরিয়েন্স খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। ইনফ্যাক্ট আপনি নেট স্লো থাকার কারণটাই আসলে ধরতে পারছেন না। ভাবছেন সমস্যাটা কি রাউটার থেকে আসছে? নাকি লাইনের প্রবলেম? তো প্রবলেম টা ধরতে পারলে কিন্তু সমাধান টা অনেক ইজি হয়ে যায়।

সো, আজকে আমি ব্যাক্ষা করার চেষ্টা করব, আপনি ঠিক কখন বুঝবেন যে আসলে সমস্যা টা আপনার রাউটারেই…. এবার একে চেঞ্জ করতেই হবে।

  1. সাধারণভাবে, Network বিশেষজ্ঞরা অন্তত প্রতি পাঁচ বছরে আপনার রাউটার আপগ্রেড করার কথা বলে থাকে। But Now a Days, সবকিছুই খুব দ্রুততার সাথে চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং 5 বছরের থিওরি হয়তো এখানে আর খাটবে না। বিশেষ করে আপনি যদি প্রচুর স্মার্ট হোম গ্যাজেট ব্যবহার শুরু করেন বা আপনার যদি লেটেস্ট ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বেসিক ওয়াই-ফাই ডিভাইসগুলো নিয়মিত বদলানোর অভ্যাস থাকে তাহলে অন্ততঃ দুই বছর পর পর রাউটার চেঞ্জ করার চেষ্টা করবেন। কারণ older রাউটারগুলো বেশিরভাগ সময়ই নতুন নতুন ডিভাইস গুলোর সাথে কম্প্যাটিবল থাকে না। যার ফলে স্পিডের সেখানে ব্যাপক ঘাটতি থাকে। পুরনো রাউটার চেঞ্জ করে নতুন রাউটার আনার আর কোন বিকল্প থাকে না। যেমন ধরেন আপনার বাসায় সিঙ্গেল ব্যান্ডের রাউটার অথচ আপনার মোবাইল ডিভাইস গুলো সবই ডুয়েল ব্যান্ড সাপোর্টেড। সে ক্ষেত্রে অপটিমাইজড পারফরম্যান্স পাওয়ার জন্য আপনাকে রাউটার চেঞ্জ করতে হবে। WiFi 6 ডিভাইস এবং WiFi 6 সাপোর্টেড রাউটারের বেলাতেও একই কথা প্রযোজ্য।
  1. আপনি যে রাউটার টা ইউজ করতেছেন সেটার ফার্মওয়্যার এর যদি Last 2 বছরের মধ্যে যদি কোনো আপডেট না আসে তাহলে আপনার নিশ্চিতভাবে ধরে নিতে পারেন তো সেটা চেঞ্জ করার সময় হয়ে গেছে। একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছি। এখন থেকে বেশ আগের রাউটার গুলোতে দেখবেন ম্যাক ফিল্টারিং এই অপশনটা নাই। স্মার্ট ফোনের অপ্রতুলতা সহ আরো বিভিন্ন কারণে তখন হয়তো ওইটা দরকারও ছিল না। কিন্তু এখন দেখেন মোবাইল ফোনের মধ্যে একটা ফিচার আছে বারকোড স্ক্যান এর মাধ্যমে পাসওয়ার্ড শেয়ারিং। এখন এইটা আটকাইতে গেলে তো আপনার ডেফিনেটলি ম্যাক্ ফিল্টারিং টাইপের কোন একটা অপশন রাউটারের মধ্যে থাকা লাগবে। আবার অনেক পুরনো রাউটারগুলোর ফার্মওয়ার আপডেট করা যাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে এই অপশনটা কিন্তু আপনি পাচ্ছেন না। তাছাড়া ওগুলোর সিকিউরিটি এনক্রিপশনও ছিল অনেক দুর্বল। সে ক্ষেত্রে এই পুরোনো রাউটার চেঞ্জ করে ম্যাক্ ফিল্টারিং ওয়ালা নতুন রাউটার কেনা ছাড়া আর কিন্তু কোন উপায় নাই।
  1. আপনাকে স্পিড টেস্ট করে দেখতে হবে যে আপনি যে স্পিড তথা ব্যান্ডউইথের জন্য বিল পে করছেন, ততটুকু স্পিড আপনি পাচ্ছেন কিনা। এক্ষেত্রে fast internet অ্যাপ্লিকেশনটা ইউজ করতে পারেন মোবাইলের জন্য। আর পিসির জন্য একই সাইটে প্রবেশ করে আপনি স্পিড টেস্ট করতে পারবেন। এটা বেশ ভালো রিডিং দেয়। এখন ধরেন উভয় ক্ষেত্রেই আপনি বেশ খানিকটা স্পিড কম পাচ্ছেন। তাহলে আপনি কি ধরে নেবেন? এটা রাউটারের সমস্যা? নাকি এটা ইন্টারনেট কানেকশন এর সমস্যা?

ব্রডব্যান্ডের কেবল টা জাস্ট রাউটার থেকে খুলে আপনার পিসিতে দিয়ে দিন। সে ক্ষেত্রে রাউটারের আইডি-পাসওয়ার্ড অথবা আইপি আপনার পিসিতে সেট করা লাগতে পারে। But এটা মাত্র 2-3 মিনিটের কাজ। এবার আপনি স্পিডটেস্ট করেন, পিসিতে নেট চালিয়ে দেখেন কি অবস্থা। যদি দেখেন যে নাহ!! পিসিতে নেট ঠিকই আছে। স্পিড টেস্ট এর রেজাল্টও প্রায় accurate, প্লাস মনে হচ্ছে আগে থেকে বেশ ভালো চলছে। এখন নিশ্চয়ই আপনাকে আর বলার দরকার নাই যে সমস্যাটা আসলে কোথায়।

  1. রাউটার যদি আপনাদের ডিভাইস গুলোকে তাদের প্রয়োজন মতো Link Speed দিতে ব্যর্থ হয় তখন রেঞ্জ আগের মত থাকলেও আপনি স্বাভাবিক স্পিড পাবেন না। লিংক স্পিড আপনি খুব সহজে টেস্ট করতে পারবেন আপনার মোবাইল দিয়ে। রাউটার থেকে কতটুকু দূরে গেলে কতটুকু ব্যান্ডউইথ বজায় থাকতেছে, এই জিনিসটা আপনাকে একটু টেস্ট করতে হবে। যদি দেখেন যে মোটামুটি ওপেন স্পেস হওয়া সত্ত্বেও 10/15 ফিট ডিসটেন্স এ লিংক স্পিড কমে প্রায় অর্ধেকে চলে আসছে… তখন বুঝবেন কাম সারা, রাউটার Gone.
  1. কিছু সময় আগে হয়তো রিসেট দিলে বা রিস্টার্ট দিলে সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যেত, এবং হয়তো কয়েক সপ্তাহ এভাবে-ভাল চলত কিন্তু তারপর আবার সমস্যা করতো। এখন ফ্রিকুয়েন্টলি জিনিসটা হচ্ছে দু একদিন পরপরই। যথারীতি আগের থেওরিটা এপ্লাই করবেন… ব্রডব্যান্ড এর কানেকশন টা পিসিতে দিয়ে দেখবেন যে কোন প্রবলেম হয় কিনা। এভাবে করে মোটামুটি তিন চারদিন চালাবেন। যদি কোন প্রবলেম না করে তাহলে রাউটারে প্রবলেম।

তো এই পাঁচটা কারণে আপনার ইন্টারনেটের এক্সপেরিয়েন্স খারাপ হবে এবং একটা রাউটারকে চেঞ্জ করার জন্য এই পাঁচটা কারণে যথেষ্ট। এছাড়াও আরও একটা কারণ আছে.. তাহলে রাউটার যথেষ্ট পরিমাণে স্লো হয়ে যাওয়া। এটা নেটের বেলায় স্লো একথা বলছিনা। রাউটার ইটসেলফ স্লো।

হঠাৎ কোনো কারণে যদি রাউটার কে আপনি বন্ধ করেন বা রিয়েস্টারট দেন অথবা কারেন্ট চলে গেলে পুনরায় রাউটার স্টার্ট হতে অনেক সময় নিলে সেটা ও রাউটারের সমস্যা। এবং এটা আপনার কাছে বেশ বিরক্তিকর মনে হতে পারে কিন্তু যদি নেট স্পিড এবং রেঞ্জ ঠিকঠাক থাকে তাহলে আপনি এটা চালিয়ে নিতে পারেন, কোন সমস্যা নাই।


Comments

3 responses to “কখন বুঝবেন আপনার রাউটার বদলানোর সময় হয়েছে? When it’s time to upgrade Your Router?”

  1. TANVIRUL ISLAM Avatar
    TANVIRUL ISLAM

    main rowter slow r 2nd rowter slow hoye jabar karon niye ekta video banale valo hoi ollekko j main rowter netiswf2409e r 2nd rowter tenda n301 ek kotai gorober rowter☺️☺️ r net hocce 30 mbps

    1. TANVIRUL ISLAM Avatar
      TANVIRUL ISLAM

      main rowter slow r 2nd rowter ekdom full speed hoye jabar karon niye ekta video banale valo hoi ollekko j main rowter netiswf2409e r 2nd rowter tenda n301 ek kotai gorober rowter☺️☺️ r net hocce 30 mbps

    2. accha amra dekhbo ei bprti

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *